প্রকাশিত: Sun, Apr 2, 2023 12:47 PM আপডেট: Mon, Jan 26, 2026 2:01 PM
‘ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন’ এবং বাস্তবতা
এ কে ফাইয়াজুল হক রাজু : অনেকের কাছে বেশ অনাকাক্সিক্ষত হলেও অন্যান্য সকল দেশের মতোই আমাদের দেশে ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন’ থাকা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের এখন যে হারে সোশ্যাল মিডিয়াজুড়ে সারাদেশে সকল প্রকার শ্রেণি-পেশার মানুষের কর্মকাণ্ড বেরে গেছে যে, সকলের জন্যই আইনগত সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়টি অতীব গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও আমাদের এখন ডিজিটাল মিডিয়া ও ডিজিটাল প্রচার কার্যক্রম ব্যাপক আকারের। তাই, কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট-এর বিষয়টি আমলে নিয়ে, সকলের আইনগত স্বার্থরক্ষা ও প্রতিকারের একটা আইনের প্রচলন অনস্বীকার্য। বিদ্যামান ডিজিটাল আইনের অনেক অনুষঙ্গ, ধারা, বিচারিক পরিধি, আইনের ফাঁক-ফোকর ও সর্বোপরি আইনের অপব্যবহার ও প্রয়োগের বিষয়াদি নিয়ে কিছু অবজারভেশন এবং তর্ক-বিতর্ক থাকতেই পারে। এটি একটি সমসাময়িক আইন।
বিভিন্ন ঢ়ড়ং ধহফ পড়হং এখনো সংবেদনশীল ও প্রাথমিক অবস্থানে আছে বললে ভুল হবে না। কিন্তু আইন সমূলে তুলে নেওয়ার অযৌক্তিক দাবির কি আদৌ কোনো নধংরং আছে? এটা আমার কাছে কোনোভাবেই যুক্তিযুক্ত মনে হয়নি। কেননা সকল নাগরিকের নিরাপত্তা ও মানবিক সুরক্ষা কেবলই নয়, রাষ্ট্রেরও প্রয়োজন আছে নিজের অবস্থান ও শাসন ব্যবস্থা (মড়াবৎহধহপব) আইনের কাঠামোর মধ্য সীমিত রাখা।
সাম্প্রতিককালে কিছু কিছু ডিজিটাল আইনের মামলার বেশকিছু বাড়াবাড়ি যে হয়নি, সে কথা ড়ঁঃৎরমযঃ অস্বীকার করার কথা আমি এখানে বলছি না। এই আইনের কাঠামোগত কিছু দুর্বলতার কথা আছে, একথা কমবেশি সকলেই অবগত। আমাদের এই সমস্ত দিক এড্রেস করার কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য দাবি ও আলোচনার প্রয়োজন, তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু সরাসরি আইনের উৎপাটন কীভাবে ও কতোটা যৌক্তিক কারণ দ্বারা উত্থাপিত হয়, তা নিশ্চয়ই আমাদের জানার ন্যূনতম অধিকার আছে। শেষ কথা হচ্ছে, ডিজিটাল আইনের বিষয়টি এখন আরও বেশি মানবিক, চৌকষ ও সকলের জন্যই আইনগত ভিত্তিতে নিরাপদ হোক, সেই দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা এখন এ বিষয়ে কথা বলি, দাবি তুলি, সোচ্চার হই। কেবল যে রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করার মধ্যেই সমস্ত সমস্যার সমাধানের সম্ভাবপরতা নিহিত নেই, একথা নিশ্চয়ই আমাদের উদারতার সঙ্গেই বুঝতে হবে। ফেসবুক থেকে
আরও সংবাদ
চ্যাম্পিয়ন ভারত : একটা ছোট মুহূর্ত কতো বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে
‘ওই ক্যাচ হয়নি, সুরিয়াকুমারকে আবার ক্যাচ ধরতে হবে’!
কতো দেশ, কতোবার কাপ জিতলো, আমাদের ঘরে আর কাপ এলো না!
সংগীতাচার্য বড়ে গোলাম আলি খান, পশ্চিমবঙ্গের গর্ব সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় ও আমি
ইন্ডিয়ান বুদ্ধিজীবী, ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্র ও দেশের বুদ্ধিজীবী-অ্যাক্টিভিস্ট
মতিউর প্রতিদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৮৩ ব্যাচের বন্ধুদের গ্রুপে সৎ জীবন যাপনের উপদেশ দিতেন!
চ্যাম্পিয়ন ভারত : একটা ছোট মুহূর্ত কতো বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে
‘ওই ক্যাচ হয়নি, সুরিয়াকুমারকে আবার ক্যাচ ধরতে হবে’!
কতো দেশ, কতোবার কাপ জিতলো, আমাদের ঘরে আর কাপ এলো না!
সংগীতাচার্য বড়ে গোলাম আলি খান, পশ্চিমবঙ্গের গর্ব সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় ও আমি
ইন্ডিয়ান বুদ্ধিজীবী, ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্র ও দেশের বুদ্ধিজীবী-অ্যাক্টিভিস্ট